kidney

কিডনী ক্যান্সার

কি কি কারণে কিডনী ক্যান্সার হতে পারে ?

১ পারিবারিক ইতিহাস অথবা জিনগত ত্রুটির  কারণে 

২ ধূমপান কিডনী ক্যান্সার এর একটি অন্যতম কারণ 

৩ দীর্ঘদিন ধরে উচ্চরক্তচাপ থাকলে কিডনী ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।  

৪ স্থূলতা 

৫ কিডনীতে কোনো ধরণের জটিলতা থাকলে তা কিডনী ক্যান্সার এর ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।  

৬ দীর্ঘদিন ধরে ব্যথা নাশক ওষুধ খেলে কিডনী নষ্ট হয়ে যায় এবং কিডনী ক্যান্সার  এর ঝুঁকি বেড়ে যায়।  

কিডনী ক্যান্সার এর উপসর্গগুলো কি কি ? 

যেকোনো ক্যান্সারের ক্ষেত্রেই প্রাথমিক-পর্যায়ে কোনো ধরণের উপসর্গ দেখা যায় না।  কিডনী ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও একই বিষয়টিই ঘটে।  প্রাথমিক পর্যায়ে কোনো ধরণের উপসর্গ দেখা না দিলেও পরবর্তীতে উপসর্গগুলো আস্তে আস্তে প্রকাশ পেতে থাকে।  যেমন – 

১ প্রস্রাবের সাথে রক্ত যেতে পারে। 

২ প্রস্রাব লাল হতে পারে।  

৩ কোমরে ব্যথা হতে পারে।  

৪ শরীরের ওজন কমে যেতে পারে 

৫ খাবারে অরুচি   ইত্যাদি 

কিডনী ক্যান্সার শনাক্ত করার পদ্ধতি  

কিডনী ক্যান্সার শনাক্ত করার পদ্ধতি  হলো মূলত  সিটি-স্ক্যান।  অনেক সময় MRI ও করা হয়।  ক্যান্সারের আকার যদি বড় হয় এবং অন্যান্য জায়গায় ছড়িয়ে যায় তাহলে সেই ক্ষেত্রে বায়প্সি করা হয়।  বায়োপসি হচ্ছে একধরণের টেস্ট যার মাধ্যমে টিউমার থেকে কিছু টিস্যু নিয়ে মাইক্রোস্কোপ দিয়ে দেখা হয়।  

ডায়াগনসিস করার পর ও ক্ষেত্র বিশেষে অন্যান্য কিছু টেস্ট করার প্রয়োজন পড়ে।  যেমন – লিভার ফাঙ্কশন টেস্ট , কিডনী ফাঙ্কশন টেস্ট , মাঝে মাঝে শরীরে ক্যালসিয়ামের পরিমান কেমন সেইটাও চেক করার প্রয়োজন পড়ে।  

চিকিৎসা 

যেকোনো ক্যান্সার এর চিকিৎসা করানোর আগে এটা নিশ্চিত হয়ে নিতে হয় যে ক্যান্সারটা কোন স্টেজ এ আছে। সাধারণত ক্যান্সারকে ৪ টা স্টেজ এ ভাগ করা হয়। ১ , ২ , ৩ স্টেজ এ শুধু যে অর্গান এ ক্যান্সার ধরা পড়েছে ওই অর্গান এই থাকে।  

 স্টেজ ১ এর ক্ষেত্রে ক্যান্সার খুব অল্প পরিসরে থাকে। সেই ক্ষেত্রে তা অপারেশান করে ফেলা হয় আর অপারেশন করার ফলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রোগী সুস্থ হয়ে উঠেন। স্টেজ ২ এর ক্ষেত্রেও একই কিন্তু ক্যান্সারের আকার একটু বড় হয়।   

স্টেজ ৩ এর ক্ষেত্রে ক্যান্সারের আকার স্টেজ ২ এর থেকেও বড় হয়।সেই ক্ষেত্রেও অপারেশন করা হয়।    

কিডনী ক্যান্সারের ক্ষেত্রে সাধারণত অপারেশন এর পর আর কোনো চিকিৎসা করানো হয় না ।   তবে অপারেশান করার পর বিশেষজ্ঞ ডক্টরের অধীনে নিয়মিত চেক আপে থাকতে হয়। 

কিডনী ক্যান্সার কিভাবে প্রতিকার করা যায় ?

১ ধূমপান পরিহার করা 

২ উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ রাখা 

৩ শরীরের ওজোন নিয়ন্ত্রণ রাখা 

৪ ব্যথানাশক ওষুধ কম খাওয়া 

উৎস 

ডাঃ সায়েদা নাহের (ক্যান্সার স্পেশালিস্ট ) 

ক্যাম্পবেলটাউন হাসপাতাল , সিডনী, অস্ট্রেলিয়া 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published.